কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ০৯:৫৬ PM
”জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল”এর চলমান কার্যক্রম ২০২৫
কন্টেন্ট: পাতা
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে দেশজুড়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা কমিটি গঠন, কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরি, ত্রৈমাসিক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা এবং শুদ্ধাচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। এই কার্যক্রমগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।
মূল কার্যক্রম:
প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো: কেন্দ্রীয় পর্যায়ে জাতীয় শুদ্ধাচার উপদেষ্টা পরিষদ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জাতীয় শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন ইউনিট, এবং মন্ত্রণালয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা কমিটি গঠন করা হয়।
কর্মপরিকল্পনা: প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের নিজেদের শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে।
মূল্যায়ন ও পরিবীক্ষণ: ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনায় সম্পাদিত কাজের বিপরীতে নম্বর প্রদান ও সে আলোকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ: শুদ্ধাচার বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
ফোকাল পয়েন্ট: ফোকাল পয়েন্টদের সহায়তায় কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ করা হয়।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বৃদ্ধি করা।
সুখী ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় অর্জন করা।