কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ০৯:৫৮ PM
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২৫
কন্টেন্ট: পাতা
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা হলো রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নৈতিকতা ও সততা চর্চার মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধের একটি কৌশল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক প্রণীত এই কর্মপরিকল্পনাটি সরকারি দপ্তর, সংস্থা ও মাঠপর্যায়ের কার্যালয়গুলোর জন্য বাস্তবায়িত হয়, যা আচরণগত উৎকর্ষতা ও নীতি-আদর্শের প্রতি আনুগত্য নিশ্চিত করে।
কর্মপরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য :
সুশাসন প্রতিষ্ঠা: রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন নিশ্চিত করা।
দুর্নীতি প্রতিরোধ: শুদ্ধাচার চর্চার মাধ্যমে দুর্নীতি কমানো।
নৈতিকতা ও সততা: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নৈতিক ও সৎ আচরণ নিশ্চিত করা।
আচরণগত উৎকর্ষতা: আচরণগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধি করা।
কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন:
কর্তৃপক্ষ:মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই কৌশলপত্র প্রণয়ন করে।
বাস্তবায়নকারী: নির্বাহী বিভাগ, জনপ্রশাসন, মন্ত্রণালয়/বিভাগ, দপ্তর/সংস্থা এবং মাঠপর্যায়ের কার্যালয়গুলো এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকে।
প্রক্রিয়া: প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
গুরুত্ব ও প্রভাব:
সেবার মান বৃদ্ধি: সরকারি সেবাগুলোর মান বৃদ্ধি করা।
জনগণের আস্থা অর্জন: সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়ানো।
সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: একটি সুখী ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে এই কৌশল অপরিহার্য।